~উমর ফারুক

সেদিন মুখটা কালো ছায়ায় বিচ্ছিরি রবে;
সন্ধ্যার সেই বাগিচায় আঁধার নাব্বে যবে…..
কুলুঙ্গির কালো মুখ সদা বিদ্যমান
গৃহের আড়ালে পশ্চিমা বায়ু হবে বাহমান,
প্রেমের প্লাবন বহাইয়া দিবে দূর ছায়ায়।
বিদ্যা বুদ্ধির মহা সুখে -নগ্ন সংস্কৃতির সাথে
নৃত্য করে বাঁচিবে সেদিন সবাই পরম সুখে।
একটি মাসের কেন্দ্রে, সুস্থসংস্কৃতিকে
সিন্ধুর তট বেয়ে প্রেমের প্লাবনের গতিকে
হরর গেমস নিয়ে খেলা মেলে দেয়
জোয়ারের স্রোতে ভাসে, সবাই।
অদ্ভুত কিছু প্রলাপ বকে দিলেম যেন
হিমের ছোঁয়া পেয়ে, সহচরি মেলে হেন
হাতে হাত রেখেই বা যাবে কেন?
কুমার কামার স্বর্নকারের পত্নি
কুৎসা বায়ুর ভোরের আলোর প্রেত্নী।
পার্কের নীড়ে শত শত ভীড়ে কোথাও
না পাওয়া কিছু ঢের – ভালোবাসা বিলোও!!?
অন্ত কালেরে সাক্ষী করে
জমের ফাঁদের সুতো ধরে
নিরিবিলির এক গুপ্ত ঘরে
পশুপাখির বেশ ধরে
—নৃত্য করে…
দ্বীপে চড়ে ফেব্রুয়ারির এক
শীতল দিনে, গরম বায়ুর মলম নিয়ে
মালিশ করে।