উমর ফারুক

বাংলার বীর উত্তম মানুষ, যারা আমার জীবনের ব্যথা বিরহটা গলিয়ে দেই,
টনক নড়াই আমার বিবেকে, যখনই আসে
মনে পড়ে যায় রক্তের রাঙা আমার বাগের পাশে
শহীদের লাশের আভাসে —
সালাম বরকত জব্বরের রণ কন্ঠে বেজেছিল দামামা।
ভাষার প্রতি ভৎসনা করা পশ্চিম পাকের দরবারে
চেয়েছিল অধিকার, স্বীকৃতি পেতে মাতৃভাষার
তাদের ফরিয়াদে কেঁপেছিল বাংলার মা-
ভাই বন্ধু পরিজন, নীল জোৎস্নার ছিপছিপে আলো ডুকরে কেঁদেছিল,কিঞ্চিৎ মলিন হয়ে গিয়েছিল !
আমি একা ঘরে মৌমাছির গুঞ্জনের সুরে
ঘুরে ফিরে এসেছি আর কেঁদেছি ২১ফেব্রুয়ারির শোকের তারনা শোনা গেল আজ,
পূবের স্নিগ্ধ বাতাসে বিদ্রোহীদের রণহুংকার।
বাংলার ঘরে মায়ের আঁচলে ঢাকল মায়ের বাক্
এই পুস্পের বাগের একবিংশ শতকে…
তবুও ২১ ফেব্রুয়ারী স্মরণ করতে হয়।
মলিন হয়ে যায় কেন তোমার মুখ ?
স্বাচ্ছন্দ্য মায়ের ভাষার কি বিলুপ্ত হওয়ার পক্ষে,
যারা আজীবন সম্মাননা নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল?
চাইনি মর্যাদা, চাইনি শালীনতা,
তারা আমাদের শিকার করেছিল।
দিবানিশির সেই বীভৎস দৃশ্যটা ইতিহাস হয়ে আছে।
২১ শে ফেব্রুয়ারি থেকে….
আজ পর্যন্ত, শত বাঙালির প্রানের সিন্দুকের
জমানো টাকাকড়ির মত, সঞ্চিত আছে—
আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো…
২১ শে ফেব্রুয়ারির রণ-বিদ্রোহ।
