কবিতাঃ বিশ্ব-সংঘ

~আরমান সেখ

পৃথিবী ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন,
মানুষ ছিল ভ্রাতৃত্ববোধ পূর্ণ।
চারিদিকে ছিল ভয়াবহতা,
সবার জন্য ছিল মায়ামমতা।

ঘটিল বুদ্ধির উন্মোচন,
তৈরি হলো নানান জন।
তৈরি হলো ধর্ম,
মানুষ হলো বিভিন্ন।

বানাল বিভেদ, কর্মভেদ, জাতি;
সবাই হতে চাইলো পরমের পক্ষপাতি।
জাগল রেঁনেসাঁ,
উপরে ফেললো সবার আঁশ।

বিভেদ হল জ্ঞানী-অজ্ঞানী,
সাধারণ মানুষের কসা টানাটানি।
বিভাজিত হল রাজত্বের দেশ,
মানুষের ভ্রাতৃত্ববোধ হল শেষ।
বানাল মাধ্যম, তন্ত্র, অর্থ;
মানবিক বোধটা আসলে বেকারত্ব!

মানুষ করছে সবকিছু সম্ভব,
বিশ্ব বলছে সহনীয় অসম্ভব!
মানুষ ছাড়বেনা তার হাল,
ঝড়ের মুহূর্তে কে ধরবে ওর পাল!
যখনই আসবে নানান সংকট,
মানুষের সভ্যতা হবে অকপট!
তখন ছাড়বে ধর্ম ও জ্ঞানের ঘট।

থাকবেনা বিভেদ ,বর্ণ-কর্ম, সভ্যতা,
এটাইতো হওয়া আবশ্যকিতা।
বিশ্ব হতে চলবে প্রায় ধ্বংস,
মানুষ একে একে গড়বে বিশ্ব-সংঘ।