হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় সারতে পারে করোনা ! দাবি আগ্রার একদল চিকিৎসকের

সাইফুল্লা লস্কর : সারা বিশ্ব যখন মারন করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধকের খোঁজে অস্থির, তখনই চমকপ্রদ সাড়া জাগালো  চিকিৎসা জগতের এক অবহেলিত সংস্করণ হোমিওপ্যাথি। যেখানে চীন, আমেরিকার মতো উন্নত সব দেশগুলো করোনা প্রোতিষেধক তৈরিতে এখনও সক্ষম হয়নি সেখানে দাবি করা হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের দেশ ভারতের হোমিওপ্যাথি তৈরি করল করোনা প্রতিষেধক।

এফেজ মেডিকেল কলেজ আগ্রা, যেখানে সর্বপ্রথম কোভিড নাইনটিনের হোমিওপ্যাথি
চিকিৎসা শুরু করা হয়। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পুর্ন আলাদা ভাবে করা হয়ে থাকে। প্রথমে জেনাস এপিডেমিকাস রোগ নির্ণয় করে তারপর চিকিৎসা করা হয়।

এফেজ মেডিকেল কলেজ আগ্রা তে মোট ২২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কে ২ টি দলে ভাগ করা হয় এবং দুটি ভাগেই ১১ জন করে রোগী রাখা হয়, যাদের মধ্যে একটি দলের রোগীদের
হোমিওপ্যাথি ওষুধের চিকিৎসা করা হয় ও অপর দলের রোগীদের সাধারণ চিকিৎসা করা হয়। ৪-৫  দিন পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আয়ত্তে থাকা রোগীদের বিশেষ উন্নতি লক্ষ্য করা যায়।

কোভিড নাইনটিনের চিকিৎসার জন্য যেসব
হোমিওপ্যাথি ওষুধের ব্যবহার করা হয় সেগুলি হলো ১) ব্রায়োনিয়া আ্যলবা ২) আর্সেনিক আ্যলবাম ৩)  জেলসেমিয়াম ৪)  আ্যনটিম টারট ৫)  কোরটালুস এইচ।। ডক্টর রাকেশ কুমার রাই বলেন যে এই পাঁচটি ওষুধ করোনা
আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর ভূমিকা রাখে। এবং তিনি আরও বলেন যে শুধু মাত্র করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য এই ওষুধ
গুলি সুস্থতা প্রদানে সক্ষম।
যদিও অনেক চিকিৎসক করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে হোমিপ্যাথি চিকিৎসার উপযুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে হোমিপ্যাথি করোনার সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি নয়।