
দিনকাল ডেস্কঃঅসমের সিলচরে কবি শ্রীজাতকে হেনস্তা করার পর মানুষের মনে একটা ধারণা তৈরি হতে শুরু করেছে বিজেপি তথা আর এস এস সমগ্র ভারতবর্ষে এক বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করছে এবং হিন্দুত্ববাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। বিজেপির রোষানল থেকে কেউ নিস্তার পাচ্ছেন না তার বড় প্রমাণ কবি শ্রীজাতের ওপর হেনস্তা। সমগ্র ভারতে তারা নিজের শক্তি প্রয়োগ করতে চাইছে। আগামী ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন ভাবে মানুষের মনে একটা ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে। তারা নিজে নিজে উপলব্ধি করে নিয়েছেন যে আগামী নির্বাচনে আমাদের পরাজয় নিশ্চিত। ৫ রাজ্যে বিজেপির পরাজয় এটা বড় প্রমাণ। কৃষকদের আন্দোলন একটা বড় সাফলতা দেখিয়েছে। সমগ্র ভারতে বিজেপির উত্তেজনা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। সমস্ত শ্রেণীর মানুষ আজ অতিষ্ঠ হয়েছে বিজেপি তথা আর এস এসের এই অত্যাচার থেকে কবি, সাহিত্যিক, লেখক, অভিনেতা, ছাত্র সকল শ্রেণীর মানুষ তাদের কবলে অতিষ্ঠ। কিছুদিন আগে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহকে চরম ভাবে অপমান করা হল। তিনি এমন কি বলেছেন যে তাকে অপদস্ত করা হল। প্রত্যেক মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চাইছে।তাদের বিরদ্ধে মুখ খুললেই তাকে বিভিন্ন ভাবে দমন করার চেষ্টা করছে। শ্রীজাতকে অসমে অপমান করা নিয়ে সমস্ত শ্রেণীর মানুষের তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কবি শঙ্খ ঘোষ বলেছেন, ‘গোটা দেশে যে স্পর্ধিত অনাচার চলছে, তারই নিদর্শন এই ঘটনা’ । ‘ক্রমেই দেশে অসহিষ্ণুতা বাড়ছে’ বললেন, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। সুবোধ সরকার তার মন্তব্যে বলছেন, ‘এই হিন্দুত্ববাদীরা হিন্দুদের কলঙ্ক’। সমগ্র ভারতের মধ্যে বিজেপি এক বর্বরতা রাজনীতি শুরু করছে। যা থেকে নিস্তার পাবে না কোন শ্রেণীর মানুষ। তাদের এই অত্যাচার থেকে বাঁচতে হলে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। তাদের ভয়ে লুকিয়ে গেলে চলবে না। আমরা সংঘবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করলে নিশ্চয় তারা অবদমিত হবে। সর্বশেষে জানায় অসমে কবি শ্রীজাতকে হেনস্তা করার তীব্র প্রতিবাদ জানায়, এই রকম ঘটনা আর দেখতে চাই না।
ইয়াসিন আলি (নিজস্ব মতামত)