সুমন চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারী নিয়ে কলকাতার বর্ণবাদী মিডিয়া গুলি কার্যত নীরব কেন

দিনকাল ডেস্কঃ কলকাতার বর্ণবাদী মিডিয়া গুলি সিনিয়র সাংবাদিক ও ” এই সময়” দৈনিকের সম্পাদক চিটফান্ড কান্ডে ধৃত সুমন চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কার্যত নীরব থাকল।দু- একটি মিডিয়া যত্ কিঞ্চিত করলেও শুক্রবার কলকাতার মিডিয়া গুলি একরকম নীরবই থাকল।এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জনও উঠেছে।

আসুন পরিচয় করি এক সর্বজ্ঞ মহাজ্ঞানী মহামানবের সাথে।সুমন চট্টোপাধ্যায়,আনন্দবাজার পত্রিকার কার্যকরী সম্পাদক থেকে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার নানা ঘাটের জল খেয়ে ইনি এখন ‘ এইসময় ‘ পত্রিকার সম্পাদক। পত্রিকা খুললে বা ইনার ফেসবুক পেজ সার্চ করলে দেখতে পাবেন ইনি দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা, নীতি নৈতিকতা, রাজনীতি, দুর্নীতি সমস্ত কিছু নিয়েই জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য পেশ করেন।
তিনি অমর্ত্য সেনকে অর্থনীতি নিয়ে, প্রণব মুখার্জিকে রাজনীতি নিয়ে, বিরাট কোহলিকে ক্রিকেট নিয়ে, এবং প্রয়োজনে মেসিকে ফুটবল নিয়ে পরামর্শ দেবার চেষ্টা করেন। তার লেখনী পড়লে মনে হয় আগামী ভারতের গতিপথ তার কলম দ্বারাই নির্দেশিত হবে।
সম্প্রতি তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এর লেখা ” নাৎসি জার্মানির জন্ম ও মৃত্যু” গ্রন্থের সমালোচনা করতে গিয়ে বুদ্ধবাবু কে মধ্য মেধার রাজনীতিবিদ বলেছেন।
এ হেন পণ্ডিত ও নৈতিকতার দিকনির্দেশক সুমন বাবু আজ চিট ফান্ড কাণ্ডে সিবিআই এর হাতে গ্রেপ্তার হলেন।
আজ আপনাকে বলি মশাই, আপনার উন্নত মেধার দ্বারা চুরি টাই ভালো হবে। চটি চেটে চিটফান্ডের চিটে গুড় খাওয়াই সব নয়। হাজতের ভাত ও কপালে ছিলো। যাক দেশ বিদেশের নানান অভিজ্ঞতার সঙ্গে হাজতের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হলো।ধারাবাহিক ভাবে পরে প্রকাশের অপেক্ষায় থাকবো।
শেষ কথা বলি। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এক আলাদা আবেগ। যার মুষ্টিবদ্ধ হাত, কিছু করার প্রতিজ্ঞা আলো দেখিয়েছিল আমাদের মতো বেকারদের। রাজনীতির অন্ধকার বৃত্তে তিনি সততার এক আলোকবৃত্ত। যার সাধারণ ঘরে আটপৌরে জীবনযাপন লজ্জা দেয় অন্য সততার বিজ্ঞাপন করা রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের।তার ব্যাংক ব্যালেন্স লজ্জা দেয় আমাদেরও। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে। সেই সৎ ব্যতিক্রমী মানুষটিই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তার মেধা মাপবেন আপনি!!!
তার চেয়ে সিবিআই কে ফেস করুন সফল ভাবে। শুভেচ্ছা রইলো।