
দিনকাল ডেস্কঃ ইউজিসির-নেটপরীক্ষা দিতে পারলেন না মুসলিম নারী। হিজাব অপসারণ না করার জন্য। NTA সংস্থার একজন কর্মকর্তা, যিনি এই পরীক্ষা পরিচালনা করেন, তিনি বলেন, “সরকারী নির্দেশিকা আছে তবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে হবে না।” হিজাব মুসলমান নারীর পর্দা। যা ধর্ম প্রাণ মুসলিম মেয়েরা হিজাব পরিধান করে থাকে।এই হিজাব পরার জন্যই পরীক্ষা দিতে পারলেন না উমাইয়া খান নামের এক পরীক্ষার্থী। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিজাব পরিধানের জন্য বৃহস্পতিবার ইউজিসি-নেট পরীক্ষায় অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এমবিএ শিক্ষার্থী উমাইয়া খান দাবি করেন, তিনি রোহিণী পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর তার হিজাব খোলার নির্দেশ দেন প্রবেশের সময়।”সংবিধানে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছিল আমরা যে কোন ধর্ম অনুসরণ করতে মুক্ত, তবুও এই নৈরাজ্যবাদী সরকারি কর্মচারীরা আমাকে আমার এন টি জে আর এফ ২0 ডিসেম্বর ২018 পরীক্ষায় প্রবেশ করতে দেয়নি, কারণ আমি তাদের কথা মত মাথা থেকে হিজাব না সরানোর জন্য।আমি আমার ধর্ম মেনেছি তার জন্য। এই ভাবে মুসলিম শিক্ষার্থী কে অপমান করা ।পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেয়ার জন্য আজ সমস্ত ভারতবাসী ঘৃণা প্রকাশ করছে। বর্তমানে এই ভাবে মুসলিম হিজাব পরিধান কারী নারীদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে ,যা খুবই লজ্জা জনক। বর্তমান সরকারের সময়ে সখ্যালঘু মুসলিমদের নানা ভাবে অত্যাচার করা হয়ে চলেছে । শুধু মাত্র উমাইয়ার ক্ষেত্রে নয়, অনেক সময় অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিমদের।