তেলের দাম কমাতে উৎপাদনকারী দেশ গুলিকে সাহায্যের আবেদন প্রধানমন্ত্রী-র…

তেলের দাম কমাতে উৎপাদনকারী দেশ গুলিকে সাহায্যের আবেদন প্রধানমন্ত্রী-র…
বৈঠকের একাংশ

তেলের দাম অত্যন্ত বৃদ্ধির জের। প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী সোমবার তেল উৎপাদনকারী দেশ গুলিকে  সাহায্য করার আবেদন জানালেন।  তেল সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে  আলাপ চারিতার সময়  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘তেলের দাম কী হবে এবং কোন দেশে কতটা তেল যাবে তা  উৎপাদক দেশ গুলির ওপরেই নির্ভর করে। আর তাই পর্যাপ্ত যোগান  থাকলেও স্বতন্ত্র বিপনন নীতির জন্য তেলের দাম বেড়েছে।’ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সৌদি  আরবের তেল মন্ত্রী। তিনি বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানান ‘তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার উপর তাঁদের নিয়ন্ত্রণ নেই। আমরা শুধু উৎপাদনের উপর নিয়ন্ত্রণ করি’। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পেট্রলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও। আরবের তেল মন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে পেট্রলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের কথা হয়েছে এবং দেশের তেলের চাহিদা মেটাতে যা করার করা হবে।

আরব আমীর শাহী-র মতো ওই  সমস্ত দেশকে সাহায্য করার জন্য এই ভাবেই আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী সেই বৈঠকে। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই আহ্বান মোদীর। তেলের দাম বেড়ে যাওয়াও সরাসরি প্রভাব পড়েছে টাকার দামের উপর। এ বছর টাকার দাম পড়েছে 14.5 শতাংশ। আর এটার কারণও আছে। তেলের ব্যাপারে ভারতকে আমদানির উপরেই ভরসা রাখতে হয়। মোট চাহিদার 83 শতাংশই  আসে বাইরে থেকে।

এই  আলোচনা যখন হচ্ছে তখন তেলের দাম  বেড়েই চলেছে। এক্সাইস ডিউটিতে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারও। তাতে দাম কমেছে 2.50 টাকা। একই সঙ্গে চাপ বাড়িয়ে চলেছে কংগ্রেস। সভাপতি রাহুল গান্ধি বলেছেন ‘আমি বুঝতে পারছি না কেন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমলেও ভারতে বাড়ছে? প্রধানমন্ত্রী আপনাদের (দেশের নাগরিক) পকেট ভরছেন না। তাহলে কার পকেটে যাচ্ছে টাকা’?

কারও কারও আবার মতামত, দেশের জনগণকে ২০১৯ নির্বাচনের আগে আবার আরেক টুপি পরানো হচ্ছে না তো? যদি এরকমই তেলের দাম বাড়তেই থাকে তাহলে ভারতের জনগণের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর দিন আসতে চলেছে। তার উপর বেকারত্বের চাপ।