
দিনকাল ডেস্কঃ রবিবার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচন। দেশটিতে আওয়ামীলীগ, বি এন পি – জোট না জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ক্ষমতায় আসবে এ দিন তারই শক্তি পরীক্ষা হবে। বুথ ফেরৎ সমীক্ষার খবর আওয়ামীলীগ ফের ক্ষমতায় আসছে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে। অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ , আওয়ামীলীগ জোট সরকার নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীকে কাজে লাগিয়ে নিরবাচনকে কার্যত প্রহসনে পরিণত করেছে। আর সেই প্রহসনমূলক নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জবর দখল করার মতোই ক্ষমতায় আসবে যা গনতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নয়। বিরোধীদের আরও দাবি আওয়ামীলীগের স্বৈরাচারী মানসিকতা দেশের মানুষের পছন্দ নয়। বিচার বিভাগকে নিজের পক্ষে নেওয়া , প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে অগণতান্ত্রিকভাবে বরখাস্ত করা এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের মতো ঘটনাগুলি ভারত সহ বিভিন্ন দেশকে ভাবাবেগকে আঘাত করেছে। মানুষ যদি অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের সুযোগ পায় তাহলে আওয়ামীলীগকে বেকায়দায় ফেলে দেবে। নির্বাচনে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপে নিরপেক্ষ কাজ করছে বলে আন্তর্জাতিক মহলের দাবী । উল্লেখ্য , ২০০৮ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে । ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন পদ্ধতি বাতিল করেন সেখ হাসিনার সরকার। ২০১৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ফের ক্ষমতায় আসে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধানপতি ১৫২ জন সদস্যকে (এম পি) অর্ধেক ঘোষণা করলে হাসিনা সরকার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে বরখাস্ত করে।