
সাইফুল্লা লস্কর : দেশ ব্যাপী করোনা সংক্রমনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মাঝে আবারও বৃদ্ধি করা হলো লকডাউনের সময়সীমা। চতুর্থ দফার লকডাউনে প্রত্যাশা মতো মিললো না ছাড়।ঈদের কেনাকাটায় ছাড় দেয়ার যে খবর সোনা যাচ্ছিল তাও গুজব প্রমাণিত হলো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে এই দফার লকডাউনের কথা এবং সবিস্তারে জানানো হয়েছে কোন কোন বিষয়ে ছাড় মিলবে না মিলবে না।
যে সমস্ত বিষয়ে মিলবে ছাড় ও যে সব বিষয়ে মিলবে না তা এক নজরে দেখে নেয়া যাক :
১. খুলে দেওয়া হচ্ছে খেলাধুলো ও শরীরচর্চার কেন্দ্র। তবে দর্শকের প্রবেশের অনুমতি নেই।
২. শুধুমাত্র চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্র ছাড়া দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে সমস্ত বিমান পরিষেবা বন্ধ থাকবে।
৩. রেড, গ্রিন, অরেঞ্জ জোনের পরবর্তী সংজ্ঞা ঠিক হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের স্থির করা মাপকাঠি ব্যাবহার করে।
৪. রাজ্যের সীমানার মধ্যে যাতায়াতে আর বাধা থাকছে না। দিনের বেলায় অবাধে নিজের রাজ্যের মধ্যে চলাচলে বাধা রইলো না সংশ্লিষ্ট রাজ্যবাসীর।
৫. সিনেমা হল, থিয়েটার, শপিং মল, সুইমিং, জিম সবই আগের মতো বন্ধ ৩১ মে পর্যন্ত।
৬. ১০ বছরের কমবয়সী আর ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের বাড়ির বাইরে পা রাখায় জারি সরকারি নিষেধাজ্ঞা।
৭. কর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সকলের মোবাইলে ‘আরোগ্য সেতু’ অ্যাপ যাতে থাকে, তা অফিস কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে।
৮. আগের মতোই বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি অফিস।
৯. বন্ধ থাকবে স্কুল, কলেজ, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি। বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে মেট্রো পরিষেবাও।
তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার গুলোকে রেড, গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে কিভাবে সংক্রমনের হার কমিয়ে জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা যায় তার দিকে নজর দিতে বলেছে । অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের কেনা কাটায় কড়াকড়ি আগের তুলনায় শিথিল করা হয়েছে, এখন শর্তসাপেক্ষে সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত কেনা কাটা করা যাবে। লকডাউন শেষ না করার তাগিদ দিয়ে হু এর বার বার করা সতর্কবাণীর প্রতি লক্ষ্য করে এই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।