
দিনকাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে একদিকে যখন জয় শ্রীরামের খুন খারাবি হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির বাড় বাড়ন্ত হচ্ছে বলে দাবী করছে অতি বামপন্থী নিরপেক্ষ সংগঠনগুলি।
অতি বামপন্থী সংগঠনগুলির নেতৃবৃন্দ এনিয়ে গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করছেন। এক বামপন্থী ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতা এই প্রতিবেদককে জানান, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন ধর্মনিরপেক্ষ দল ও তথাকথিত ক্ষমতাচ্যুত দলগুলির বুর্জোয়া মানসিকতা এবং রণকৌশলের ভুলের জন্য ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে যা গভীর উদ্বেগের। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী ১২টি জেলায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশপাশি বঙ্গসেনা, হিন্দু সংহতি, লিবারেশন টাইগার অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ উদ্বাস্তু উন্নয়ন সংসদ, দুর্গাবাহিনী, নারায়ণী সেনা, আমরা বাঙালী হিন্দু, আমরা হিন্দু, হিন্দু জাগরণ মঞ্চের শক্তি বাড়ছে।

এই সমস্ত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির শক্তিবৃদ্ধি পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই। তবে মানবাধিকার কর্মীর দাবী, সীমান্তবর্তী ১২টি জেলায় সবচেয়ে বেশী। এদেরকে সবচেয়ে বেশি মদত দেয় আরএসএস ও বিজেপি-র উদ্বাস্তু সেল। দুই ২৪ পরগণা, দুই দিনাজপুর, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়িতে এইসব সংগঠনগুলির শক্তি খুবই বেশি। দক্ষিন ২৪ পরগণার প্রত্যন্ত দ্বীপ এলাকায় দুর্গাবাহিনী, উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাট ও বনগাঁ এলাকায় বঙ্গসেনা ও এলটিবি, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে নারায়ণী সেনার প্রশিক্ষণ খুব জোরদার হচ্ছে। আর এই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির শক্তিবৃদ্ধি মানেই এ রাজ্যে ‘জয় শ্রী রামের’ নামে গণপিটুনি আরও বাড়বে। সাম্প্রদায়ীকতা আরও বাড়বে।