তেলেঙ্গানার নালগোণ্ডা জেলায় উচ্চ বর্ণের মেয়েকে বিয়ে করায় একব্যক্তির মৃত্যু

তেলেঙ্গানার নালগোণ্ডা জেলায় উচ্চ বর্ণের মেয়েকে বিয়ে করায় একব্যক্তির মৃত্যু

তেলেঙ্গানার নালগোণ্ডা জেলায় গত শনিবার একব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ২৩ বছরের প্রনয় কুমার তার ২১ বছরের গর্ভবতী স্ত্রী ভারসিনির সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসার পর বেরনোর সময় পেছন থেক বড় ধরণের অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে। ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে প্রনয় কুমারের মৃত্যু হয়। এই অবস্থায় আমরুথা জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জ্ঞান ফিরলে সে পুলিশকে জানায় তার বাবা মারুতি রাও এবং কাকা স্রবণ এই ঘটনার জন্য দায়ী। কারন প্রনয় কুমার ছিল নিচু জাতের ও মেয়ে আমরুথা ছিল উচু জাতের। সে বলে ‘তার পরিবার তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য বলে। কিন্তু আমি বলি আমার গর্ভপাত করানোর ইচ্ছে নেই। প্রনয়ের ছেলে আমার ভবিষ্যৎ। প্রনয় খুব ভাল ছেলে, সে খুব যত্ন নেয় আমার। গর্ভবতী হবার পর আরও বেশি। আমি জানিনা আজকের দিনেও জাতপাতের গুরুত্ব রয়েছে’?

তাদের বিয়ের সবেমাত্র ৮ মাস হয়েছে স্কুল থেকেই তারা দুজন দুজনকে ভালবাসত দুজনের পড়িবারই প্রথমে মেনে নেয়নি। কিন্তু পরে প্রনয়ের পরিবার মেনে নেয়। তার মৃত্যু সমাজকে হতবাক করে দিয়েছে।

এই রকম ঘটনা ২০১৬ সালে মার্চ মাসে তামিলনাড়ুর ত্রিপুরে ঘটে। ২২ বছরের শঙ্করকে তার স্ত্রীর সামনে হত্যা করা হয়। সেখানেও বাবা সহ অন্যান্য আত্মীয়স্বজনরা জড়িত ছিল।

এই অস্ত্র দিয়েই আঘাত করা হয় প্রনয় কুমারকে