
এখনও দফার দুটি ভোট বাকি রয়েছে। নির্বাচনী ফায়দা তলার জন্য আবার কি বিজেপি তাদের অঙ্গ সংগঠন গো-রক্ষা সমিতিকে আসরে নামিয়ে দিল? শুক্রবার কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জের একটি গ্রামে গরু ব্যবসায়ীদের হামলায় গুরুতর জখম জন যিনি তিনি কিন্তু একজন অমুসলিম সম্প্রদায়ের। আদতে এরা ছিল গরু ব্যবসায়ী। গরু ব্যবসার কাজে সব সম্প্রদায়ের যুক্ত থাকেন। তুফানগঞ্জের ঐ গ্রমে পুলিশ গিয়ে গরু ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে গেলে হামলার শিকার হন পুলিসও। পুলিসের বক্তব্য , কে গরু পাচার করল কি করল না তা দেখবে প্রশাসন। গ্রামবাসীরা আইন হাতে তুলে নিতে পারে না। আর এ ব্যপারে সমস্ত গ্রামবাসী নন। মুষ্টিমেয় গ্রামবাসী যারা গো-রক্ষা সমিতির সঙ্গে যুক্ত। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, এলাকায় বিজেপি-র এই অঙ্গ সংগঠনটির বেশ প্রভাব রয়েছে। আমাদের মনে রাখা দরকার যে, ৫ দফার নির্বাচন হয়েছে।বিজেপির ঝুলিতে সাফল্যের চিত্র সেই রকম নয়। পশ্চিমবঙ্গে মিডিয়ার তৈরী করা যে হাওয়া উঠেছিল তাও বাস্তবের সঙ্গে সঙ্গতি পূর্ণ নয়। তাই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে আবার গো- রক্ষার নামে যদি উত্তেজনা তৈরি করা যায় তাহলে তার ফায়দা আবার উঠবে। তাই রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলা গুলিতে আবার গো- রক্ষা সমিতি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিজেপি-র রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। তবে সচেতন নাগরিক গো-রক্ষা সমিতির এই কার্যকলাপ কে মোকাবিলা করবে বলে আশাবাদী।
