প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের ওপর মোদী সরকারের দমনপীড়ন বন্ধের নিদান অ্যামনেস্টির

সাইফুল্লা লস্কর : প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের বিরুদ্ধে মোদী সরকারের দমন মূলক আইন ব্যাবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলো মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর থেকে নিজের সমালোচকদের বিরুদ্ধে সর্বদা দমনপীড়ন নীতি অবলম্বন করেছে মোদী সরকার। মোদী সরকারের মুখপত্রের ভূমিকা পালন করা জাতীয় স্তরের সংবাদ মাধ্যম গুলো দেখলে বোঝা যায় মোদী সরকার কতটা সমালোচনা বিরোধী। মোদী সরকার করোনা সংক্রমনের কারণে বলবৎ লকডাউনের মধ্যেও মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একই নীতি অবলম্বন করে চলেছে। এই কাজে মোদী সরকার অনলফুল অ্যাকটিভিটি প্রিভেনশন অ্যাক্ট(UAPA), দেশদ্রোহিতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা আইন(NSA) হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে।

২৭ বছরের সফুরার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে কয়েক সপ্তাহ ধরে এবং তাকে তার স্বামীর সঙ্গে বা কোনো আইনজীবী যোগাযোগ করতে দেয়নি মোদী সরকার। ৭০ বছরের গৌতম নবলাখা ও আনন্দ তেলতুমদে দেরও হয়রানী হতে হয়ছে একই কারণে। মোদী সরকার প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর গুলোকে ভিড়ে ঠাসা কারাগার গুলিতে বন্দি করছে যেখানে ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনটি বলেছে  মোদী সরকার প্রতিবাদী কন্ঠস্বরের বিরুদ্ধে এই দমন মূলক নীতি অবিলম্বে বন্ধ করুক। দমনমূলক আইনগুলো প্রত্যাহার করুক এবং এই সব উৎপীড়নমূলক আইনে গ্রেফতার সবাইকে দ্রুত মুক্তি দিক। প্রতিবাদী কন্ঠস্বরকে কোনোভাবেই স্তব্ধ করা যাবেনা, না লকডাউনের আগে না তার পরে। তবে চরম মানবাধিকার বিরোধী গেরুয়া শিবির অ্যামনেস্টির এই বার্তা কিভাবে নেবে এবং তাদের অধীন সরকার এই নিদানকে আদৌ কতটা আমল দেবে তার এখন খুব বড়ো প্রশ্ন।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *