
ইচ্ছার আকাশে পাড়ি দেবনা
অনিচ্ছায় পা বাড়াতে পারি
ঐশ্যি আলোর বিচ্ছুরনে, দেরি
কোরোনাকভু, ছেয়ে আছে সমাজেও
আজ কটাক্ষের জারিজুরি।
মিলিয়েই যা’ই মোরা, আই আমার
পিছু, সকাল সাঝে ঝলসানো হৃদয়
নিয়ে দিই পাড়ি,মানুষের মানুষত্বের
খোঁজ করি-
সবুজাভ গোধূলির হাওয়া নিস্তরঙ্গ,
জ্যোৎস্নার ফাঁদ পাতা অন্তরঙ্গে
হলুদ আর সবুজ রঙ, ঢালাও
পরিবর্তন কুঞ্চিত বৈশাখির সুরের
গীতিকারের সুমধুর গীতের সুরে
আই মোরা হারিয়ে যাই, গঠনে চরনে
ছেড়া পাদুকাদ্বয়ের তলদেশের ধুলি
মাখিতে মাখিতে ডানপাশের গিরিখাদ
আর বাম পাশের ধ্বসের ভুমি হাতে নিয়ে
এই পথ পারি দিয়ে ঐশ্যি পথের জন্যে,
আই ভাই মোরা মিশে যায় হাজারের
এই জন সমুদ্রে,নিঃসঙ্গ গ্রহচারীর
গ্রহচারনের অনুভূতি নিয়ে অনু জিজ্ঞাসিত
বুকের কোমল অংশে ঢেউ ,
রাশি রাশি হাসি মাখা গান,এক’ই সুতোয়
বাধা প্রান; মিশে যেতে বাধা নাই আর।
