কিংবদন্তী চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেন না ফেরার দেশে

কিংবদন্তী চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেন না ফেরার দেশে

দিনকাল ডেস্কঃ দেশের অন্যতম শীর্ষ চলচ্চিত্র পরিচালক কিংবদন্তী মৃণাল সেন চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ । রবিবার এই নক্ষত্রের পতনে চলচ্চিত্র সহ সাংস্কৃতিক মহল শোক স্তব্ধ।  শোক স্তব্ধ মুম্বাই- কলকাতা ও ঢাকা। এ দিন কলকাতার পদ্মপুকুরের রোডের বাসভবনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপি আই, সিপি আই(এম) সহ বিভিন্ন দল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্য জনিত  অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কয়েক বার তিনি কয়েকদিন তিনি সঙ্কট অবস্থায় ছিলেন। তার মৃত্যুতে একটি নক্ষত্রের পতন ঘটল। গুজরাট গনহত্যার সময় কিংবা মজফফরপুর সহ বিভিন্ন স্থানে বিজেপি, আর এস এসের পরিকল্পিত দাঙ্গা নিয়ে সরব হন। উগ্রহিন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে তিনি রাস্তায় ও নামেন। পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতিষ্ঠান আল- আমিন মিশনকে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ থাকাকালীন তার সাংসদ কোটা থেকে ৯৬ লক্ষ্য টাকা বরাদ্দ করেন।

মৃণাল সেনের জন্ম অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুর জেলায় ১৯২৩ সালে। কলকাতায় আসেন পড়াশোনার জন্য। পদার্থ বিদ্যার ছাত্র হলেও তিনি চলচ্চিত্রকে তার জীবন-জীবীকার প্রধান পথ করে নিয়েছিলেন। ১৯৫৫ সালে ‘রাতভোরে’ ছবির পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে ‘বাইশে শ্রাবণ’ ছবির পরিচালনায় তিনি মৌলিকতার ছাপ রাখেন। পরপর ‘ভুবন সোম’(১৯৬৯) , ‘কোরাস’(১৯৭৪), ‘মৃগয়া’ ছবিগুলিতে বাংলা চলচ্চিত্রের মোড় বদলে দেয় এছাড়া আফসার আহমেদের কাহিনী অবলম্বনে ‘আমার ভুবনে’ সংখ্যালঘু চালচিত্রকে ফুটিয়ে তোলেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নানান পুরস্কারে ভূষিত।