ঝাড়খন্ডের মোব-লিঞ্চিংয়ে অভিযুক্ত গো- রক্ষক বাহিনির ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

ঝাড়খন্ডের মোব-লিঞ্চিংয়ে অভিযুক্ত গো- রক্ষক বাহিনির ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

দিনকাল ডেস্কঃ  ২০১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঝাড়খন্ডের উগ্র হিন্দুত্ববাদী মনোভাব প্রসনকারী গো- রক্ষকের তাণ্ডবে দুই জন মুসলিম লোককে গোরক্ষক বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছিল । তার পরে মৃতদের দেহ গাছে ঝুলিয়ে রেখে দিয়েছিল। নিহতরা একজন মজলুম আনসারী (৩২) ও আর একজন হল ইমতিয়াজ খান (১২)। ঘটনাটি হয়েছিল ঝাড়খন্ডের লাতেহারে এই মামলায় পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার করে। কিন্তু পরে তারা জামিন পেয়ে যায়। ঐ ঘটনায় অভিযুক্তরা হল অরুণ শাহু, বিশাল তিওয়ারী, মিথিলেশ কুমার, শাহদেব সোনী,মনোজ শাহু, প্রমোদ শাহু, অবেধ শাহু, মনোজ কুমার। নিহতদের পরিবার চেয়ে ছিল কবে এই খুনিদের বিচার হবে এবং ন্যায় বিচার পাবে? বিজেপি শাসিত ঝাড়খন্ডে গো- রক্ষকদের তান্ডব চরম আকার নিয়েছিল এবং সাধারণ সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল । এর ন্যায্য বিচারের আশায় সাধারণ সংখ্যালঘু মানুষ দিন গুনছিল। অবশেষে আজ ঝাড়খণ্ডের এক আদালত দোষীদের রায় ঘোষণা করে। ঘটনায় অভিযুক্ত আট জনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে, সেই সঙ্গে পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঘটনায় আর এক অভিযুক্তকে নির্দোষ বলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার নাম হল বিনোদ প্রজাপতি। এর বিরুদ্ধে এফ আই আর আছে তাকে পুলিশ নির্দোষ বলে ছেড়ে দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে বিচার আপিল করবে বলে জানিয়েছেন। এই পঁচিশ হাজার টাকা আক্রান্তদের পরিবারকে দেওয়া হবে। এই ঘটনার সময় যে প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন তার নাম হল নিজামুদ্দিন আনসারী। তিনিই সাক্ষী দিয়েছেন। সে ছিল নিহত মজলুম আনসারীর গরুর ব্যবসার পার্টনার। সে মজলুম আনসারীর সঙ্গেই ছিল, নিজামুদ্দিনকেও মারার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কোন মতে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে ছিল। পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার তৎপরতায় ও আর্থিক সহতায় এই কেশ লড়ছিলেন যে, তিনজন অ্যাডভোকেট তারা হলেন , মহারাষ্ট্র পুনার এক আইনজিবী  সাইফান সাহেব ও পশ্চিমবঙ্গের  এক আইনজীবী আব্দুল মোমিন হালদার, ও ঝারখন্ডের এক আইনজীবী আব্দুল সালাম সাহেব। এই তিন আইনজীবী প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে কেশ ছিল তার থানার নং হল- Banumath p.s -42/2016 , S.T case no 97/2016