
রাজস্থানের আলওয়ারে মোব লিঞ্চিংয়ে মৃত্যু হয়েছিল পেহলু খানের।
পেহলু খানের হত্যার সুনানী ছিল কোর্টে, আর তাতে সাক্ষীর জন্য যাচ্ছিলেন পেহলু খানের ছেলে সহ আরো দুজন প্রত্যক্ষদর্শী।
আইনজীবী আসাদ হায়াত ইন্ডীয়ান এক্সপ্রেস কে বলেন “ গাড়িতে আমি, আমার সাথে ঘটনার দুই প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আজমত এবং রফিক এবং পেহলু খানের দুই সন্তান ইরশাদ এবং আরিফ ও ড্রাইভার আমজাদ কে নিয়ে কোর্টে যাচ্ছিলাম সেই সময় পিছন থেকে একটা কালো স্করপিও এসে আমাদের গাড়ী ওভারটেক করে আমাদের গাড়ি থামাতে বলে।”
পেহলু খানের ছেলে ইরশাদ বলেন, গাড়ীতে কোন নাম্বারপ্লেট না থাকায় আমরা গাড়ী থামায়নি, এর পরে গাল দিতে থাকে এবং বলতে থাকে একবার বলেছি, কবার বলতে হয় গাড়ি থামা।
অবস্থা বেগতিক দেখে আমাদের কে ইউ টার্ন করতে হয়, এরপরেই তারা গাড়ী লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে।
আমরা গাড়ীর গতি বাড়িয়ে আলওয়ারে পৌঁছে এসপি সাথে দেখা করি এবং তাকে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করি।
ইরশাদ বলেন, আমরা অন্য রাস্তায় ঢুকে যাওয়ায় রাস্তা হারিয়ে ফেলি, এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞেস করে আলওয়ারে পৌঁছই। যদি আমরা মারা যায় তাহলে সাক্ষী কে দেবে!
উল্লেখ্য, ইরশাদ এবং আরিফ তাদের বাবার সাথে ছিল যখন গো রক্ষকরা ৫৫ বছর বয়সী পেহলু খান কে আক্রমণ করে। পেশায় কৃষক পেহলু খান হাট থেকে বলদ কিনে ফিরছিল। আক্রমণের দুদিন পরে পেহলু খানের মৃত্যু হয়।
Source: Indian Express
