পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি ইস্যুতে মৃত্যু মিছিল, তালিকা আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা

দিনকাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি ইস্যুতে তথ্য খুঁজে না পাওয়ার জন্য মৃত্যু মিছিল বেড়েই চলেছে। এ যাবৎ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বারো। এই সংখ্য আরও দীর্ঘ হবে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে। এনআরসি আতঙ্কে তথ্য সংগ্রহের ব্যর্থতার জন্য শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী হচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এনআরসি হবে না বলে অভয় দিলেও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাটছে না।  এ পর্যন্ত যে বারোজন মারা গেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে তারা হলেন-   মিলন মন্ডল (ডোমকল),অন্নদা রায় (ময়নাগুড়ি), মন্টু সরকার (বালুরঘাট), আমেনা বেওয়া (হিঙ্গলগঞ্জ), মন্টু মন্ডল (বসিরহাট), নায়েব আলী, (শাসন),কালাচাঁদ (ফলতা),কামাল হোসেন (ইটাহার), সোলেমান সরকার (ইটাহার), সাবের আলী (জলপাইগুড়ি)।শ্যামল বর্মণ (ধুপগুড়ি, জলপাইগুড়ি)আরজিনা খাতুন (ঘুঘুমারি, মুর্শিদাবাদ)

রাজ্য সরকারের গড়িমসি ও মামলা শুন্যপদে ২০ হাজার মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগে বড় বাধা

দিনকাল ডেস্কঃ সুপ্রীম কোর্টের ছাড়পত্র হলেও ম্যানেজিং কমিটির ও মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মধ্যে নিয়োগ নিয়ে মামলা চলায় সরকারি মাদ্রাসায় শিক্ষক ও শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ বলে অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষক সংগঠনগুলির। তাদের…

মিশরের স্বৈরশাসক আল সিসির পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভ শুরু দেশ জুড়ে

#বিশ্ব মিশরের স্বৈরশাসক জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি-র পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে মিশরের মানুষ। শুক্রবার দেশজুড়ে বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নামে হাজার হাজার গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারী। রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কয়ার ছাড়াও আলেকজান্দ্রিয়া, সুয়েজের মতো বড় বড় শহরগুলোতেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার রাতে হঠাৎ করে রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের মুখে একটাই স্লোগান-‘সিসি তুমি বিদায় হও’। শুক্রবার রাতের এই বিক্ষোভ দমনে কোথাও কোথাও পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। এছাড়া বহু বিক্ষোভকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রাজধানীর তাহরির চত্বর জড়ো হয়েছিল কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী। ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানে এই চত্বর থেকেই সারা দেশে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। বলতে গেলে গোটা আন্দোলন নিয়ন্ত্রিত হতো এই চত্বর থেকে। কায়রোর পাশাপাশি আলেকজান্দ্রিয়া ও সুয়েজসহ আরও কয়েকটি শহরে সিসি’র সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। মিশরের সরকার বিরোধীরা সিসি-কে দেশটির অবৈধ প্রেসিডেন্ট বলে মনে করেন। এছাড়া সম্প্রতি সিসি’র বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ২০১২ সালের ৩০ জুন মিসরের ইতিহাসের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা শহীদ মুহাম্মাদ মুরসি। এর এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালের ৩ জুলাই সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুরসিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন ইসরাইল ও সৌদির মদতপুষ্ট সেনাপ্রধান জেনারেল সিসি। প্রতিবাদে মুরসি সমর্থকরা রাস্তায় নামলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন ব্রাদারহুডের প্রায় হাজারখানেক নেতাকর্মী। অভ্যুত্থানে পৃষ্ঠপোষকতা দেয় ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো। সরকারিভাবে বিবৃতি দিয়ে মুরসি সমর্থকদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে জেনারেল সিসি’কে সমর্থন দেয় সৌদি আরব। সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করা হয়। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় দলটির প্রায় হাজারখানেক নেতাকর্মীকে। গ্রেফতার করা হয় কয়েক হাজার মুরসি সমর্থককে। কারাগারে পাঠানো হয় মিশরের ইতিহাসের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসিকে। অন্তরীণ অবস্থাতেই কারাগারের খাঁচায় শহীদ হন তিনি। কঠোর গোপনীয়তায় তাকে দাফনে পরিবারকে বাধ্য করা হয়। বাবার মৃত্যুর দুই মাসের মাথায় রহস্যজনকভাবে মারা যান মুরসির ২৪ বছরের পুত্র আবদুল্লাহ মুরসি। অনেকের আশঙ্কা, বাবার মৃত্যুর জন্য সরকারকে দায়ী করায় তাকে কৌশলে হত্যা করা হয়েছে। ২০১৩ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জেনারেল সিসি সরকারের বিরুদ্ধে মিসরে এটিই সবচেয়ে বড় ধরনের বিক্ষাভ। সূত্রঃ আল জাজিরা

স্টেশনে প্লার্টফর্ম ও ওভারব্রীজ না থাকায় সমস্যায় নিত্যযাত্রীরা

পল মৈত্র,দক্ষিন দিনাজপুরঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর শহর মালদা উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রধান কেন্দ্রস্থল সেই বুনিয়াদপুর শহরের দীর্ঘদিন ধরে দুটি বিষয় নিয়ে দাবি করে আসছেন এলাকার বাসিন্দা থেকে…